Search
Close this search box.

ঘর যেন হয় সক্কলের

গানের গল্প থাকে, ১৯৯২ সাল। পলাশ ভদ্র, আমার বন্ধু, অনেকদিন দেখা হয় নি। সে গ্রুপ থিয়েটার করত, আমার কাছে আসতো। একদিন সে আনল আমিনুল নামে একটি ছেলেকে। সেও গ্রুপ থিয়েটার করত। খুব বন্ধুত্ব দুজনেরই…।
এলো ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৯২ সাল। বাবরী মসজিদকে ধ্বংস করলো হিন্দু উগ্রপন্থীরা। আমার মনে আছে, পরের দিন সকাল বেলা পলাশ ফোন করলো আমায়…।
পলাশ দত্তপুকুরের ছেলে, দত্তপুকুর থেকে ফোন করে বলছে, “সুমন দা, আমিনুল, আমিনুলের কি হবে, আমিনুল যে বেকবাগানে থাকে।” আমার আরেক বন্ধু কাজী কামাল নাসির, সে তখন থাকত মেটিয়াবুরুজ, তাঁর কোন খোঁজ পাচ্ছি না…।
আমিনুল আমিনুল আমিনুল করে কেঁদে যাচ্ছে শুধু পলাশ…।

পলাশের বাড়ি দত্তপুকুর,
আমিনুল থাকে বেকবাগান
দু’জনেরই দেশ বিংশ শতক,
একুশ শতক দিচ্ছে টান।।

দু’জনেই আছে নয়ের দশকে
দু’জনেরই দায় এই সময়,
দু’জনেরই মনে একই সাহস
দু’জনেরই মনে একই ভয়।।

কামালের বাড়ি মেটিয়াবুরুজ
শ্যামলের ডেরা বরানগর,
দু’জনেই ভাবে জায়গা কোথায়
কোথায় আমার আসল ঘর!

আমিও আসলে ঘর খুঁজে যাই
খুঁজছ তুমিও …
যদি পেয়ে যাই আমারা দু’জনে
ঘর যেন হয় সক্কলের।।

সংশোধনেঃ- শুভায়ু মজুমদার

শেয়ার করুন:

শিলাদিত্য

মম চিত্তে শিলাদিত্তে হাতে নাতেআমি ধরবই আমি ধরবই জেলে পুরবই।।মম ভৃত্য হবে নিত্য শিলাদিত্তআমি পারবই আমি পারবই পেরে ছাড়বই।। প্রতিবাদী

আরও পড়ুন / শুনুন >