থেমে যেতে যেতে
থেমে যেতে যেতে একবার কোন মতে;জোর করে যদি একবার হেঁটে যেতে;বেঁচে নিতে যদি একবার বড় ভালো হত। একবার শুধু একবার
থেমে যেতে যেতে একবার কোন মতে;জোর করে যদি একবার হেঁটে যেতে;বেঁচে নিতে যদি একবার বড় ভালো হত। একবার শুধু একবার
বেড কভারের প্রান্তে রাস্তা, সবুজ নক্সা জঙ্গলযখন তখন বেরিয়ে আসবে পাগলা হাতির দঙ্গল বেড কভারের নিচেই বালিশ খেলার পাহাড় হলেগোঙাতে
মাঝে মাঝে কিছু ঝগড়াই হোকহোকনা খানিক বাকবিতণ্ডাবিরুদ্ধমত ঝাঁজিয়ে উঠুকমুলতুবী থাক মিঠাই মণ্ডা। জোর হোক শুধু গলার আওয়াজগায়ের জোরটা তোলাই থাকগেডাণ্ডার
গাছের তলায় জ্বলছে উনুন চলছে শাকের ঘন্ট রাঁধাএমন কি সে গাছের ডালে দড়ি পিঁড়ির দোলনা বাঁধাগাছ তলাতে ক্যানেস্তারা প্যাকিং বাক্স
তোমাকে দেখছি ল্যাম্প পোস্ট এর নীচেতোমাকে দেখছি কালীঘাট ব্রিজ এ একাভবানী ভবন যাবার বাঁকের মুখেআসলে কিন্তু সেই তোমাকেই দেখা তোমাকে
ভগবান কত ভালো অপরের চোখ অন্ধ করেও আমাকে দিলেন আলো।। ভগবান কত মিষ্টি পণ্য খামারে আগুন জ্বেলেও আমাকে দিলেন বৃষ্টি।।
আজ আমি ফিরে এসেছি তোমার পাশে বসেছি বলো তোমার কথা শুনবো আজ শুনবো বলে তাই রাখিনি কাজ তোমার কথা হারা
সঞ্জীব পুরোহিত হাঁটলেন, চাকরি পাবেন এই ভরসায় মাথায় চাবুক মারে রোদ্দুর, মধ্যদিনে গান বন্ধ করেছে পাখি সূর্য আকাশটাকে ঝলসায়। সঞ্জীব
রেলিঙে শুকোয় শাড়ি, পাঁচিলে শুকোয় ঘুঁটে ঘাসগুলো সব শুকিয়ে শুকিয়ে শেষমেষ গেছে উঠে। পাড়ার ছোট্ট পার্ক, ঘাস নেই আছে ধুলো
কে বেশি পাগল, কবি না কবিতা? দরকার নেই সেই হিসেব দেবার ঘুমোও বাউণ্ডুলে, ঘুমোও এবার। কে বেশি মাতাল, কবি না
পাখিটা যে গাছটায় বসে, গাছটা যে মাটিতে দাঁড়িয়ে সে মাটি এখনো খুব কষে, ধরে সব দু’হাত বাড়িয়ে। ফড়িংটা যে ঘাসের