দশম কবিতা
কী করব ভেবে পাচ্ছি না তাই লিখছি “বালকবীরের বেশেই” দিল্লি জয় “পথ চেয়ে আর কাল গুনে” তুমি জানলে ফাল্গুনেই তো
কী করব ভেবে পাচ্ছি না তাই লিখছি “বালকবীরের বেশেই” দিল্লি জয় “পথ চেয়ে আর কাল গুনে” তুমি জানলে ফাল্গুনেই তো
পাটভাঙা সাদা পাঞ্জাবি পাটভাঙা ধুতি বা পাজামা সব সাদা আহা-কী-মায়াবি ছোট থেকে ইয়া বড় মামা। সাদা মানে রাজনীতি এলো সাদা
কত বিচিত্র খবর যে রটে কুতুব মিনার নাকি উধাও কাল সন্ধে পর্যন্ত ছিল সকাল থেকে ভোঁভাঁ – খবরটা রটে যাওয়ায়
ভারতের আদিবাসীরা কি আদিরও আদিতে হিন্দু ছিলেন “প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তরও তো (বিশ্বহিন্দুপরিষদের) জানা।” যুক্তি দিয়ে ভাবলেই লোকে চিন্তায় পড়বে
আমার ষষ্ঠ কবিতা আমায় মনে করিয়ে দিচ্ছে বন্ধুবর, কবি শহীদ কাদরির কথা কত বছর আগে শোনা হুবহু না দূর থেকে
আমার লেখা পঞ্চম কবিতাটা একটা ঘোষণা: আমার লেখা দ্বিতীয় কবিতাটা দাঁড়ায়নি +++ জাপানী তেল ব্যবহার করে দেখেছি দাঁড়ায়নি আমার শুনেছি
বুড়োদের জন্য একটা ফ্লু ভ্যাক্সিন বেরিয়েছে জানতাম না। শীতের ঠিক আগেই নিতে হয় শীতে জানলাম আগে জানতাম না। ফলে ক’দিন
রাত এগারোটা বাজতে আর তিন মিনিট তিন মিনিটেরও কম সময়ে এককালে ৭৮ আর পি এমের গ্রামোফোন ডিস্ক বাজত রবিশঙ্করের ‘রসিয়া’
গানবাজনা করে খাই শিখে তবে এসেছি ফিল্ডে কী-মুশকিল বেতারশিল্পীও তো ছিলাম অনেকদিন গ্রামোফোন রেকর্ডফেকর্ডও ছিল। ঐ সস্তা বারোভাতারি ক্যাসেট না
এবারে শালা লিখবই কবিতা গান লিখলে এরা কবিতা ভাবে বামপন্থীদের যেমন ভাবে কমিউনিস্ট। এবারে, বুড়ো বয়সে লিখবই কবিতা কী ব্যথা