কাহার গলায় পরাবি
কাহার গলায় পরাবি গানের রতনহার,তাই কি বীণায় লাগালি যতনে নূতন তার ॥ কানন পরেছে শ্যামল দুকূল, আমের শাখাতে নূতন মুকুল,নবীনের
কাহার গলায় পরাবি গানের রতনহার,তাই কি বীণায় লাগালি যতনে নূতন তার ॥ কানন পরেছে শ্যামল দুকূল, আমের শাখাতে নূতন মুকুল,নবীনের
সহেনা যাতনা দিবস ও গুনিয়া গুনিয়া বিরলেনিশিদিন ও বসে আছি শুধু পথপানে চেয়েসখা হে এলেনা।। দিন যায় রাত যায় শয্যায়আমি
নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে ফুলবনেতারি মধু কেন মনমধুপে খাওয়াও না?নিত্যসভা বসে তোমার প্রাঙ্গণে,তোমার ভৃত্যের সেই সভায় কেন গাওয়াও না?
মনে রবে কি না রবে আমারেসে আমার মনে নাই, মনে নাই।। ক্ষণে ক্ষণে আসি তব দুয়ারে,অকারণে গান গাই।। চলে যায়
বঁধু, মিছে রাগ করো না, করো না।মম মন বুঝে দেখো মনে মনেমনে রেখো, কোরো করুণা॥ পাছে আপনারে রাখিতে না পারিতাই
আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ।খেলে যায় রৌদ্র ছায়া, বর্ষা আসে বসন্ত ॥কারা এই সমুখ দিয়ে আসে যায় খবর নিয়ে,খুশি রই আপন
তোমায় গান শোনাব তাই তো আমায় জাগিয়ে রাখওগো ঘুম-ভাঙানিয়াবুকে চমক দিয়ে তাই তো ডাক’ওগো দুখজাগানিয়া ॥ এল আঁধার ঘিরে, পাখি
তুমি কি কেবলই ছবি, শুধু পটে লিখা।ওই-যে সুদূর নীহারিকাযারা করে আছে ভিড় আকাশের নীড়,ওই যারা দিনরাত্রিআলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী
কী পাই নি তারি হিসাব মিলাতেমন মোর নহে রাজি।আজ হৃদয়ের ছায়াতে আলোতেবাঁশরি উঠেছে বাজি॥ ভালোবেসেছিনু এই ধরণীরেসেই স্মৃতি মনে আসে
হেলাফেলা সারাবেলাএ কী খেলা আপন-সনে!এই বাতাসে ফুলের বাসেমুখখানি কার পড়ে মনে!আঁখির কাছে বেড়ায় ভাসিকে জানে গো কাহার হাসি!দুটি ফোঁটা নয়নসলিলরেখে
মুখখানি কর মলিন বিধুর যাবার বেলা–জানি আমি জানি, সে তব মধুর ছলের খেলা।। গোপন চিহ্ন এঁকে যাবে তব রথে–জানি তুমি
যে ছিল আমার স্বপ্নচারিণীতারেই বুঝিতে পারিনিদিন চলে গেছে খুজিতে খুজিতে।। শুভখনে কাছে ডাকিলে,লজ্জা আমার ঢাকিলে গো,তোমারে সহজে পেরেছি বুঝিতে।। কে
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি,কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক।মেঘলা দিনে দেখেছিলেম মাঠেকালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ।ঘোমটা মাথায় ছিল না তার মোটে,মুক্তবেণী পিঠের