শিলাদিত্য
মম চিত্তে শিলাদিত্তে হাতে নাতেআমি ধরবই আমি ধরবই জেলে পুরবই।।মম ভৃত্য হবে নিত্য শিলাদিত্তআমি পারবই আমি পারবই পেরে ছাড়বই।। প্রতিবাদী
মম চিত্তে শিলাদিত্তে হাতে নাতেআমি ধরবই আমি ধরবই জেলে পুরবই।।মম ভৃত্য হবে নিত্য শিলাদিত্তআমি পারবই আমি পারবই পেরে ছাড়বই।। প্রতিবাদী
তুলে নিয়ে ভাষার নিশানআমি গাই একুশের গান। এখানে আঞ্চলিক ছাপেআমার মুখের ভাষা কাঁপেকেঁপে উঠে আমার বানান। এখনে গেরুয়া সন্ত্রাসেবর্গীর রথ
এসো আলো হারানোর দিনেএসো ফিকে হয়ে আসা রাতেএসো মেঘ ভাঙা আশ্বিনেএসো আঁধারে উল্কাপাতে।। এসো স্মৃতি মুছে দেয়া ঢেউএসো অতীত ভাসানো
রাষ্ট্র মানেই কাঁটাতারে ঘেরা সীমান্ত রাষ্ট্র মানেই পাসপোর্ট নিয়ে উমেদারি রাষ্ট্র মানেই ম্যাপে বাঁধা আমার দিগন্ত রাষ্ট্র মানেই সবকিছু দারুণ
জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি আছেখিদে নিয়ন্ত্রণের কেন নেই?জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি আছেঅস্ত্র নিয়ন্ত্রণের কেন নেই? জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি আছেধান্দা নিয়ন্ত্রণের কেন নেই?জন্ম
কেউ খিদে নিয়ে গান লেখেকেউ খিদে নিয়ে মরেবমি মাখা তার মরা মুখেমাছি ভনভন করে। যদি মাছি নিয়ে গান লেখোআর জলসায়
https://www.youtube.com/watch?v=IX6jxCMyYk4 সারি সারিসারি সারি মরা মানুষদৃষ্টিহীন মানুষনিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়াছটফট করে করে মরে যাওয়াবমি করে করে মরে যাওয়ামানুষ মানুষ মানুষ!
https://www.youtube.com/watch?v=hPOByZbeoLw “I dedicate this song to my extraordinary friend Subrata Ghosh whose rainforest experiences inspired me to make this song…”
এই গানটি আমি আজ (২৩,১২,২০১৪) বানিয়ে, একটি ছোট ডিজিটাল রেকর্ডারে রেকর্ড ক’রে সাউণ্ডক্লাউডে তুলে দিলাম। কলকাতার জনসভা-সমেত নানান জায়গায় হিন্দুত্ববাদী
ওরা গাল দেয় আমি কলমা পড়েছি বলেমুসলিম বিদ্বেষের তোলে নিশানজন্মের ঘৃণা লুকনো অস্ত্র খোলেআমি গর্বিত বাঙালি মুসলমান।ওরা রাগ করে আমি
একটি খবর: ২০২১ নাগাদ ভারত মুসলমান-ও-খৃষ্টানমুক্ত হবে – বিজেপির রাজেশ্বর সিং জানিয়েছেন। তার পর এই লিরিক: উত্তুরে হাওয়া কাঁপিয়ে তুলছে
রুখে দাও ধর্ম নিয়ে রাজনীতি এই দেশটা জুড়েলালনের কসম, তোমার আমার স্বদেশ যাচ্ছে পুড়ে।। রুখে দাও সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভেদ আনাকবীরের
এ লড়াই শেষের লড়াইএ লড়াই বাঁচা মরারএ লড়াই তোমার আমারএ লড়াই সর্বহারার।। এ লড়াই জিততে হবেকঠিন বুকে শপথ নিলামএ লড়াই
রাত কত হলপুলিশ পাঠাবে সরকারবেয়াদপ ছেলে মেয়ে শায়েস্তা করা দরকার।। আলোচনা নয় কোননয় স্নেহ নয় পিঠে হাতকি চাও আমায় বল,
https://youtu.be/u3YukpUlY88 শুনেছি দারুন সুন্দর তুমিযদিও এসিডে পোড়াপরাজয় তুমি মানোনি সোনালিএ গান ফুলের তোড়া।। বেঁচে আছো তুমি রানীর মেজাজেশুভ্রত বলছিলতোমার গল্প
তুমি শুনো না আমার কথাতুমি দেখো না আমার চোখমুখে জমে থাক নীরবতাবুকে নিবির রাত্রি হোক।। তুমি শুনো না আমার গানতুমি
দেহের মধ্যে সুজন যে জনতার ঘরেতে ঘর করেছিরামপ্রসাদের কথায় কবীরসুমন বলে গান ধরেছি। সেন চাটুজ্যে অন্য রাজ্যেতোমার আমার দেশ আলাদাহাটবাজারের
বুড়ো তুই অনেক নাচলি অনেকবাঁচলি এবার থাম,বুড়ো কেউ দেয়নি এবং দেবেওনা তোর গানের দাম। বুড়ো তোর মাথার ব্যারামগানের ক্যারাম খেললি
দেখছি শহর তলিয়ে যাচ্ছেনোংরা আমায় ভয় দেখাচ্ছেসগ্রি এঁটোর পাহাড় হচ্ছে কলকাতা পেচ্ছাপেই শহর ভাসছেডিজেল ধোঁয়ায় মানুষ কাশছেযক্ষ্মা আমায় ভয় দেখাচ্ছে
তুমি কী বোকা হাঁদা-পত্রিকা খামোখাই গাল পাড়ো, ঐ ধাক্কায় হবে না কিছুই আরও বাড়ো আরও বাড়ো। দেখি তোর কত ক্ষমতা
মোশারফের হাত দুটি নেইপুড়েছে কাজ করতে গিয়েমোশারফের একশোটা হাতবানিয়ে নিচ্ছে ইচ্ছে দিয়ে।সারাই করতে গিয়েই গেলহাত দুখানি মোশারফেরকাজের তাগিদ থেকেইহাতের কাজেই
শহরের আকাশে যে তারা এক আঁধার বিন্দু সংখ্যালঘুর মতো সে লুকোয় গুরু ছায়া নিয়ে এ দেশে সে মুসলিম ও দেশে
বয়েস হয়েছে তাই এবার ঘোচাতে চাই দুঃস্বপ্নের ঘোর, এ শহর থেকে দূরে মানুষ দাঁড়ালো ঘুরে আনল নতুন ভোর।। বাড়ছে বয়েস
রাই জাগো রাই জাগো রাই জাগো রাই জাগো শূক শাড়ি বলে, তোমার ঘুমের সুযোগ নিয়ে বাড়ল কারা দলে। রাই জাগো
বাধ্য পুলিশ বাধ্য পুলিশ লুকিয়ে পুড়িয়ে ফেলো ধর্ষিতাটির দগ্ধ শরীর, কার তাতে এল গেল! বাধ্য পুলিশ বাধ্য পুলিশ কাকে নিয়ে
ঐতো তোমার শহর, ঐতো তোমার ঢাকা আমায় নিয়ে উড়ছে এখন এরোপ্লেনের পাখা, ঐতো তোমার শহর, তোমার গন্ধ মাখা বিমান থেকে
ছোট্ট কুকুর ছানাটাকে নিয়ে যাচ্ছে ছোট্ট মেয়ে হয়ত খেলতে চেয়ে হয়ত বাঁচতে চেয়ে।। আমি চেয়ে দেখছি আমারই নাতনি আমায় সঙ্গে
ওরা যদি কেড়ে নেয় রুটি আমরা বাধ্য হব বীরের রক্তে শস্য ভিজিয়ে নিয়ে বাঁচতে।। যেভাবে বেঁচেছিলেন আমাদের দাদু দিদি মা-রা।