সকাল বেলা রোদ্দুর যেই মাটিতে পা ফেলেছে
একটা চড়াই অমনি দেখি এক্কা দোক্কা খেলছে।
ছক কেটেছে গাছের ছায়া এবং রোদের দ্বন্দ্ব,
সঙ্গে আছে ঘুম ভাঙা সব ঘাসের সোঁদা গন্ধ।
গাছগাছালি হাতগুলোকে আকাশপানে মেলছে
একটা চড়াই অমনি দেখি এক্কা দোক্কা খেলছে।
যে মেয়েটার খেলা দেখে চড়াই পাখির শেখা
সে মেয়েটাই যাবে স্কুলে রিকশা চেপে একা।
খেলার সময় তার বড়োই কম, পড়াশুনাই মস্ত
ছোট্টো মাথা পড়ার চাপে ভীষণ বিপর্যস্ত।
স্কুলের পড়ার সঙ্গে আছে পারার গানের স্কুল
নিয়ম করে শিখতে হবে রবীন্দ্র নজরুল।
মায়ের ভীষণ ইচ্ছে মেয়ে আঁকার স্কুলেও যাক
বাবার দাবি তারি সঙ্গে কত্থকটাও থাক।
মায়ের প্রশ্ন সাঁতারটাই বাতিল হবে কেনো
ছেলেবেলা থেকেই মেয়ে চৌকস হয় যেন।
চৌকস তো হচ্ছে মেয়ে সকাল সন্ধ্যেবেলা
হয় না এখন আপন মনে এক্কা দোক্কা খেলা।
ছিল যখন সিলেবাসের বাইরে মেয়ের খেলা
একটা চড়াই দেখতো চেয়ে সকাল বিকেলবেলা।
এখন সময় সকাল বিকেল দীর্ঘশ্বাস ফেলে
মেয়ের খেলা বন্ধ বলে চড়াই পাখি খেলে।
সকাল বেলা রোদ্দুর যেই মাটিতে পা ফেলেছে
একটা চড়াই অমনি দেখি এক্কা দোক্কা খেলছে।





























