রেলিঙে শুকোয় শাড়ি, পাঁচিলে শুকোয় ঘুঁটে
ঘাসগুলো সব শুকিয়ে শুকিয়ে শেষমেষ গেছে উঠে।
পাড়ার ছোট্ট পার্ক, ঘাস নেই আছে ধুলো
ঘাসের অভাব পরোয়া করেনা সবুজ বাচ্চাগুলো।
বেঞ্চিগুলোর কাঠ, রোদে পুড়ে জলে ভিজে
সমকাল এসে বসেছে সেখানে আহত প্রেমিক সেজে।
বেঞ্চিগুলোর কাঠ রোদে পুড়ে জলে ভিজে
সমকাল এসে বসেছে সেখানে একা চ্যাপলিন সেজে।
পাড়ার ছোট্ট পার্ক, ঘাস নেই আছে ধুলো
ঘাসের অভাব পরোয়া করে না সবুজ বাচ্চাগুলো।
লোহার গেটের পাশে উনুন ধরায় কারা
রেলিং ঘেসেই সংসার করে ক’জন বাস্তুহারা।
একটু দূরেই আছে, ক্যাচক্যাচে টিপকল
পড়ন্তবেলা বালতিকে বলে, ‘চলরে জলকে চল…’।
এদিকে ওদিকে দেখ, কিছু গাছ আছে বাকি
এই আকালেও আনাগোনা করে নাছোড়বান্দা পাখি।
পাড়ার ছোট্ট পার্ক, ঘাস নেই আছে ধুলো
ঘাসের অভাব পরোয়া করে না সবুজ বাচ্চাগুলো,
বিবর্ণ গাছগুলো…
বিবর্ণ গাছগুলো, ধুলোয় ধূসর পাতা
বেগতিক দেখে ক্লান্ত সময় গোটায় জামার হাতা।
পাড়ার ছোট্ট পার্ক, ঘাস নেই আছে ধুলো
ঘাসের অভাব পরোয়া করে না সবুজ বাচ্চাগুলো।
ল্যাম্পপোষ্টের বাল্ব, গুলতির ঢিলে ভাঙা
এটাকে ঘিরে খেলছে মেয়েরা, খেলছে কুমীরডাঙা
চোর চোর খেলা হলে ল্যাম্পপোষ্ট হয় বুড়ি
ভাদ্দুরে রোদে এটাই হাঁকায় নিরুদ্দিষ্ট ঘুড়ি।
বিকেলবেলার রোদে, বাচ্চার ভিড় বাড়ে
খেলতে খেলতে পড়ে যাওয়া ছেলে প্যান্টের ধুলো ঝাড়ে।
বাস্তুহারার খুকি মেটায় খেলার সাধ
ঘাস উঠে যাওয়া ধূসর পার্কে শিশুর সাম্যবাদ।
পাড়ার ছোট্ট পার্ক, ঘাস নেই আছে ধুলো
ঘাসের অভাব পরোয়া করে না সবুজ বাচ্চাগুলো।





























