আমার শহরে এসেছে মেয়েটা হালচাল জানা নেই
বিশ্বাস করে বসলো কেন যে তিনটি পুরুষকেই।
পুরুষ কিংবা নপুংসকের রয়েছে গায়ের জোর
তিন থেকে ছয় পুরুষের জয় ধর্ষণে রাতভোর।
আমার শহরে এসেছে মেয়েটা বন্ধু তেমন নেই
ধর্ষিত হলো বিশ্বাস করে তিনটি পুরুষকেই।
পুরুষ কিংবা নপুংসকের বিজয় বলাৎকারে
মায়াও হলো না লাঞ্ছিতা সেই মেয়েটার চিৎকারে।
চিৎকার করে বলতে চাইছি যদিও গাইছি গান
ধর্ষণগীতি গেয়ে যাই পাছে পুরুষরা ভুলে যান।
কত রকমের গান জেনো আছে অমুক তমুক গীতি
বেদনা বিধুর পরশ মধুর রিমিক গানের স্মৃতি
স্মৃতিবিজড়িত সেই সন্ধ্যায় স্টেশনের কোনো ঘরে
তিনটি পুরুষ একটি মেয়েকে শুধু ধর্ষণ করে…
আমিও পুরুষ সেই মুহূর্তে কোথায় ছিলাম ভিজে
হয়তো ছিলাম নদীর হাওয়ায় দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজে
হয়তো রা’বসে কত গোঙাইনু কল্প কামনা ছুঁয়ে
কতো রোমাঞ্চ পেয়েছি তোমার বিছানায় শুয়ে শুয়ে,
তোমার শরীরে আমার আদর বৃষ্টির মতো ঝরে
ওদিকে নপুংসকেরা কাউকে গণধর্ষণ করে।
আমিও পুরুষ বলো না আমায় কতোটা ঘেন্না করো
কতোবার তুমি মনে মনে বলো লজ্জায় ডুবে মরো
আমার মুখেও দেখো কি সুমনা নপুংসকের মুখ
আমি লজ্জিত ভেবে মেয়েটার ক্ষতবিক্ষত বুক
আমার লজ্জা গান গেয়ে বলি আমায় শাস্তি দাও
এমন দিন কি আসবে হবে না ধর্ষণ একটাও
আমার শহর কুন্ঠিত বড় ক্ষমা করো তুমি মেয়ে
পুরুষ বলেই গাইছি এ গান শুধু মার্জনা চেয়ে
পুরুষ বলেই গাইছি এ গান শুধু মার্জনা চেয়ে।।





























