নবম কবিতা
পাটভাঙা সাদা পাঞ্জাবি পাটভাঙা ধুতি বা পাজামা সব সাদা আহা-কী-মায়াবি ছোট থেকে ইয়া বড় মামা। সাদা মানে রাজনীতি এলো সাদা
পাটভাঙা সাদা পাঞ্জাবি পাটভাঙা ধুতি বা পাজামা সব সাদা আহা-কী-মায়াবি ছোট থেকে ইয়া বড় মামা। সাদা মানে রাজনীতি এলো সাদা
কত বিচিত্র খবর যে রটে কুতুব মিনার নাকি উধাও কাল সন্ধে পর্যন্ত ছিল সকাল থেকে ভোঁভাঁ – খবরটা রটে যাওয়ায়
ভারতের আদিবাসীরা কি আদিরও আদিতে হিন্দু ছিলেন “প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তরও তো (বিশ্বহিন্দুপরিষদের) জানা।” যুক্তি দিয়ে ভাবলেই লোকে চিন্তায় পড়বে
আমার ষষ্ঠ কবিতা আমায় মনে করিয়ে দিচ্ছে বন্ধুবর, কবি শহীদ কাদরির কথা কত বছর আগে শোনা হুবহু না দূর থেকে
আমার লেখা পঞ্চম কবিতাটা একটা ঘোষণা: আমার লেখা দ্বিতীয় কবিতাটা দাঁড়ায়নি +++ জাপানী তেল ব্যবহার করে দেখেছি দাঁড়ায়নি আমার শুনেছি
বুড়োদের জন্য একটা ফ্লু ভ্যাক্সিন বেরিয়েছে জানতাম না। শীতের ঠিক আগেই নিতে হয় শীতে জানলাম আগে জানতাম না। ফলে ক’দিন
রাত এগারোটা বাজতে আর তিন মিনিট তিন মিনিটেরও কম সময়ে এককালে ৭৮ আর পি এমের গ্রামোফোন ডিস্ক বাজত রবিশঙ্করের ‘রসিয়া’
গানবাজনা করে খাই শিখে তবে এসেছি ফিল্ডে কী-মুশকিল বেতারশিল্পীও তো ছিলাম অনেকদিন গ্রামোফোন রেকর্ডফেকর্ডও ছিল। ঐ সস্তা বারোভাতারি ক্যাসেট না
এবারে শালা লিখবই কবিতা গান লিখলে এরা কবিতা ভাবে বামপন্থীদের যেমন ভাবে কমিউনিস্ট। এবারে, বুড়ো বয়সে লিখবই কবিতা কী ব্যথা
এই গানটি আমি আজ (২৩,১২,২০১৪) বানিয়ে, একটি ছোট ডিজিটাল রেকর্ডারে রেকর্ড ক’রে সাউণ্ডক্লাউডে তুলে দিলাম। কলকাতার জনসভা-সমেত নানান জায়গায় হিন্দুত্ববাদী
ওরা গাল দেয় আমি কলমা পড়েছি বলেমুসলিম বিদ্বেষের তোলে নিশানজন্মের ঘৃণা লুকনো অস্ত্র খোলেআমি গর্বিত বাঙালি মুসলমান।ওরা রাগ করে আমি
জীবনের বেশিরভাগটা শেষ করে এনেছি। কত কী যে করে বেড়ালাম, করলাম। সাধ্যের চেয়ে সাধ বরাবরই বেশি। সেই সাধগুলো মেটাতে ছুটে
তানিশা আমীনের একটি পোস্ট পড়ে চমকে উঠলাম। এভাবে তো ভাবিনি কোনওদিন। কিম্ভূতকিমাকার এক সময়ে আমরা। অন্যভাবে দেখতে গেলে – একটু
একটি খবর: ২০২১ নাগাদ ভারত মুসলমান-ও-খৃষ্টানমুক্ত হবে – বিজেপির রাজেশ্বর সিং জানিয়েছেন। তার পর এই লিরিক: উত্তুরে হাওয়া কাঁপিয়ে তুলছে
বয়স হলে শীতকালটা নেওয়া কষ্টকর। সকাল থেকেই মনে হয় কচ্ছপ হয়ে যাচ্ছি। কথায় কথায় ঠাণ্ডা লাগে। স্মোকার্স কাশিটা বেড়ে যায়।
বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবেও পরিচিত ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শ্রীযুক্ত নরেন্দ্র মোদি বিশ্বাস করেন এবং প্রকাশ্যে বলেনও – সিদ্ধিদাতা ‘গনেশ’ হলেন
অল্প বয়সে একটা হিন্দি গান শুনেছিলাম কোথাও একটা। সুরটি বেশ লেগেছিল। তাল, ছন্দ, লয়ও। সেই যুগের অনেক হিন্দি গানে ওই
রুখে দাও ধর্ম নিয়ে রাজনীতি এই দেশটা জুড়েলালনের কসম, তোমার আমার স্বদেশ যাচ্ছে পুড়ে।। রুখে দাও সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভেদ আনাকবীরের
স্কুলের ব্যাগটা বড্ড ভারীআমরা কি আর বইতে পারি?এও কি একটা শাস্তি নয়?কষ্ট হয়, কষ্ট হয়! আমার কষ্ট বুঝতে চাওদোহাই পড়ার
থেমে যেতে যেতে একবার কোন মতে;জোর করে যদি একবার হেঁটে যেতে;বেঁচে নিতে যদি একবার বড় ভালো হত। একবার শুধু একবার
বেড কভারের প্রান্তে রাস্তা, সবুজ নক্সা জঙ্গলযখন তখন বেরিয়ে আসবে পাগলা হাতির দঙ্গল বেড কভারের নিচেই বালিশ খেলার পাহাড় হলেগোঙাতে
১৯৭১ সালের আগেই হবে। কারণ তখনও আমরা এস আর দাশ রোডে। দিনটি ছিল রবিবার। আমরা খেতে বসেছি দুপুরে। হঠাৎ ফোন।
১৯৯৬ সাল। জীবনে প্রথম বাংলাদেশে। ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের তহবিলের জন্য টাকা তুলছি গানের অনুষ্ঠান করে। আমার ভাই জাকির আমায় নিয়ে
মাঝে মাঝে কিছু ঝগড়াই হোকহোকনা খানিক বাকবিতণ্ডাবিরুদ্ধমত ঝাঁজিয়ে উঠুকমুলতুবী থাক মিঠাই মণ্ডা। জোর হোক শুধু গলার আওয়াজগায়ের জোরটা তোলাই থাকগেডাণ্ডার
যাও গান আণবিক বোমাটাকে ধরোযদি পারো পোখরানে চাষবাস করো,যাও গান বিজ্ঞানীদের গিয়ে বলোধ্বংসের ত্বত্তটা ভুলে যাই চলো। যাও গান নেতাদের
এ লড়াই শেষের লড়াইএ লড়াই বাঁচা মরারএ লড়াই তোমার আমারএ লড়াই সর্বহারার।। এ লড়াই জিততে হবেকঠিন বুকে শপথ নিলামএ লড়াই
রাত কত হলপুলিশ পাঠাবে সরকারবেয়াদপ ছেলে মেয়ে শায়েস্তা করা দরকার।। আলোচনা নয় কোননয় স্নেহ নয় পিঠে হাতকি চাও আমায় বল,