বোকা বান্দার গান
কার নাম যেন রাধারাণী আড়ি, সুপ্রিয়া জানা কে শেখ সেলিমের নন্দীগ্রামে বেড়াতে এসেছ ‘চে’। একটা ভিয়েতনাম থেকে চাই চারটে ভিয়েতনাম
কার নাম যেন রাধারাণী আড়ি, সুপ্রিয়া জানা কে শেখ সেলিমের নন্দীগ্রামে বেড়াতে এসেছ ‘চে’। একটা ভিয়েতনাম থেকে চাই চারটে ভিয়েতনাম
দেবাশিস দেবাশিস তোমার আমার তখন আঠেরো রোমাঞ্চ ফিসফিস।। ক্রিকেটের পরে হাত ধরে ফেরা শীতের সন্ধে নামে যেখানে তোমার গায়ের গন্ধে
কোটেশ্বর রাও রাও রাও শাহাদাত বৃথা যায় না একটাও।। ওরা মারবেই যাকে পাবে ওরা সামনে ওরা ধরবেই যাকে পাবে ওরা
তোমায় খুঁজেছি একলা ঘরের জানলা খুলে দমকা হওয়ার নিঃশ্বাস ছিল আমার চুলে।। তোমায় খুঁজেছি সকাল যেমন খুঁজেছে আমায় যেখানে আকাশ
১৯৯৬ সালের ৭ই মে ছিল ভোট। সেদিন সকালে দক্ষিন কলকাতার কোন একটি পাড়ায় ছোট্ট ছোট্ট কয়েকটি ছেলে, অতি সাধারণ ঘরের
স্বাগত পিংকি স্বাগত স্বাগত পিংকি স্বাগত।। আমাদের হাত ধর আমারাও আছি কে থাকে দার্জিলিঙে কেকাঁকুড়গাছি কেউ থাকে গোয়াহাটি কেউ বেলুর
ঠা ঠা রোদ্দুরে সুনন্দ সান্যাল স্ট্রিট কর্নারে একাই বক্তা যিনি সরকার পালটানোর অঙ্গীকার পালটালো তাই গ্রেফতার হন তিনি। ভূমি উচ্ছেদ
তোমাকে নিয়েই কেটে গেল দিন বয়স চলল বেড়ে রক্তে আমার দাঁড়ে দাঁড়ে দ্রুম দেড়ে দেড়ে দেড়ে দেড়ে। তোমাকে নিয়েই চলে
কান্না, আর না, আর নয় একলা অপেক্ষা এইতো দিনান্ত আরেকটি দিনের শেষ সন্ধ্যে আসছে, আকাশে ভাসছে সন্ধ্যে তারার হাতছানি সেইতো
কারা ফেলে গেছে ওকে ফেলে গেছে কর্ণকে জন্মের খানিকটা পর ভোরে হাসপাতালের চত্বর। ময়লার পাশে পড়েছিল কাকভোরে কে হদিশ দিল
গানের গল্প থাকে, ১৯৯২ সাল। পলাশ ভদ্র, আমার বন্ধু, অনেকদিন দেখা হয় নি। সে গ্রুপ থিয়েটার করত, আমার কাছে আসতো।
প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে আলো মণ্ডপে মণ্ডপে থিম মন্ত্রীরা পুজো করে ভালো সেকুলার মুরগির ডিম। ফিতে কেটে দেন সভাকবি নায়িকারা প্রদীপ জ্বালান
বন্ধুরা সব হাজির হলে বুঝতে পারি সময় আছে জুতো খোলার তার হুড়োর সঙ্গে, “কিরে কেমন আছিস?” কেরোসিনের স্টোভ জ্বালিয়ে চায়ের
তোমাকে আমার দেশ দেখাতে চেয়েছি বারবার ওইখানে ছেলেবেলা, বেগম আখতার কিন্নরী রাস্তায় জল দেওয়া, লাল পাগড়ির নীচে গোঁফ রেডিওয় গীতা
গোগল জানে, বড়রা সব জানে কোন কথার কোনটা ঠিক মানে গোনায় ভুল কখন বেশি হয় গোগল জানে, অংক মানে ভয়।
আমিও ছিলাম ভুলনা মমতা আমিও ছিলাম সঙ্গে আমিও এনেছি পরিবর্তন এই পশ্চিমবঙ্গে।। অসীম গিরিও মঞ্চে মঞ্চে তোমার জন্য গিয়ে ছিলেন
In gratitude I allude in this song to Bob Dylan’s great song ‘A Hard Rain’s agonna fall.’ In that song
Dear Zubin Mehta Will your music weep for the martyrs Seventy thousand Kashmiris killed Will your music bring back the
ঝিনচ্যাক ছাড়া কিছু থাকবে না ঝিনচ্যাক ছাড়া কিছু থাকবে না। থাকবে শপিং মল নিউ এসি মার্কেট বস্তিগুলোই হবে প্রোমোটারি টার্গেট
একটা সুযোগ দাও একটু সুযোগ হয়ত জীবন অন্য রকম হতে পারে… একটা জীবন এই একটা জীবন অসম্ভবের মত অবাক করা
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারেই বসা ফিঙের ল্যাজে ভরসা থাকুক চালে ডালে তেলে নুনে আর পেঁয়াজে । ভরসা থাকুক ফড়িং হয়ে
Aiming high aiming low No matter where Kashmiris go Is it the Muslims’ prayer time People pray as bullets rhyme
Fellow Indians what’s your take on our army in Kashmir As they tattoo the word ‘insulted’ on all Kashmiris’ skin
Together we walked Together we stood Together we played In our lost childhood. Together we learned Together forgot Together remembered
পুরুষ হয়ে জন্মেছি তাই আবার ক্ষমা চাইতে হবে লজ্জা আমার কোথায় লুকোই কান্না আমার থামবে কবে! কান্না কেন হয় না
চে, খুনিদের গেঞ্জিতে তুমি হলে ছবি তোমারি ভাগ্যে ভোট ভোট মতলবি তাপসীর খুনিদের গেঞ্জিতে চে তাপসীর আত্মাও চেয়ে দেখছে… তাপসী
ভাষ্য: আমার ঘরের পাশে আরশিনগর না। আমার ঘরের পাশে রাধাচূড়া গাছ আর তাতে কাকের বাসা। আমি যেমন সারাদিন কথাবার্তা বলি,
হারিয়ে যেও না হারিয়ে যেও না স্বপ্নে ঝিকিমিক দূরের তারা এখনও ডাক দেয় অনাগত দিন যদিও এই রাত দিশেহারা। এখনও