A Dream
একটু আগেই তুমি কানে কানে বলেছিলে তাকে চিরবিদ্রোহ নিয়ে আমি ভালবেসেছি তোমাকে প্রতিটি চুমুর ফাঁকে ছিল সংগ্রামের শপথ একদিন আসবেই
একটু আগেই তুমি কানে কানে বলেছিলে তাকে চিরবিদ্রোহ নিয়ে আমি ভালবেসেছি তোমাকে প্রতিটি চুমুর ফাঁকে ছিল সংগ্রামের শপথ একদিন আসবেই
সে আসবে না বলে আষাঢ় এল চলে সে কথা রাখবে না আষাঢ় কথা রাখে, আকাশও বলে কথা মেঘের ফাঁকে ফাঁকে।
বাড়ি থেকে পালালেই অরিনোক্কো সাঁকো পেরিয়েই দেখা হাওড়ার ব্রিজ অনেক ঘুইরা শেষে কলকাতা আসা শ্যামল মিত্তিরের গলায় প্লেব্যাক। দু’ চোখে
ন’লাখ টাকা তুলে মৃণাল খেলেন বিষ এজেন্ট ছিলেন তিনি, সঞ্চয় বেহদিশ বন্ধু হাকিম গাজি, রাখতেন কুড়ি রোজ সবজি বেচার টাকা
তুমি হবে পেত্নী আমি হব ভূত জীবন্ত মানুষের কাছে অচ্ছুত ভাবলেই রামনাম, দেখলেই শেষ অনাথবাবুর ভয় ভূতের স্বদেশ। ভবিষ্যতের কথা
জঙ্গলমহলে মাওবাদী দমনে এমপি ফাইভ একশোটা কেনা হল পুলিশকে দেওয়া হল এমপি ফাইভ। মিনিটে আটশো গুলি, আটশো মাথার খুলি ওড়ানোই
কোনো উৎসবের দিন নয় এ দিন নয় ক্যালেন্ডারে লালে লেখা কোনো সুখবর আসেনি আজ আসেনি হঠাৎ কোনো খুশির হাওয়া। সমারোহের
চল সিগারেট খাই ভুলে বুকের বালাই ঝেড়ে অলস ফুসফুস হবে সরকার ঝালাই। যত গরিব মানুষ বলবে পালাই পালাই সুদীপ্ত সেন
দূর নয় বেশি দূর ওই পরিবর্তিত বঙ্গভূমির বুকে কিছু টাকা বানানোর সুখে কিছু চিট ফান্ডের কেষ্ট বিষ্টু আগের থেকেই ছিল,
সে চলে গেলেও থেকে যাবে তার স্পর্শ আমারই হাতের ছোঁয়ায় নুয়ে পড়বেই স্মৃতিরা যেখানে দেবদারু তার কপাল নোয়ায়। সে চলে
“আদর” শুধু এ টুকুই এসএমএস রংধনু আর সাত সমুদ্র তেপান্তরের দেশ। “আদর” শুধু এ টুকুই সেলফোনে বাকি সব রাখা রূপকথা
রজনীকান্ত্ বড় ক্লান্ত্ হয়েছেন বিভ্রান্ত্ সিদ্ধান্ত্ সয়েছেন ইয়ান্না রাসকালা মাইন্ড ইট দিনান্ত্ সর্বস্বান্ত্ ফান্ড চিট। পথপ্রান্ত্ পরিশ্রান্ত্ আন্না (না, না,
দেরিতে গিয়েছে ফাঁসির খবরটাও মৃত্যুর আগে হবে কি একটু দেখা? রাষ্ট্রবিরোধী চুপচাপ ফাঁসি যাও স্ত্রীর মুখখানা মনে কোরো একা একা…
সুদীপ্ত নেই বেহালা আছে ছড় টেনে যায় বাপের কান্না বড় গায়করা সরকারি তাই বাপের কান্না শুনতে পান না। কতজন কত
হাওয়া-মোরগের হাওয়া দরকার শাসকবিলাসী হাওয়া মোরগ হলেই খেতাব মিলবে চাওয়ায় মিলবে পাওয়া। সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের সময় মোরগ কোথায় ছিলে শাসকবিলাসী হাওয়ায়
গুন্ডামি এই দেখো ছবি লাল রঙে ছবিটার ফ্রেম ভোটে হেরে গিয়েও শেখে না এস এফ আই আর সি পি আই
সোমদ্যুতি তুমি কাঁদছিলে একা একা শ্মশানেই হল ছেলেটার সাথে দেখা, সুদীপ্ত ছিল তোমারই বয়সী ছেলে চিনতে না তাকে শ্মশানেই দেখা
Why couldn’t he meet his wife before his death What national security crisis would it make Why was the state
সময়টাকে কামড়ে ধরো বাঘ যেভাবে শিকার ধরে দুঃসময়ের অসুখ দ্যাখো পৌঁছে যাচ্ছে ঘরে ঘরে। বিজ্ঞাপনের ছেনালপনা অসুখ বেচে লোভ দেখিয়ে
‘ক’ মানে কবিতা, কবিতা লেখা, ‘খ’ মানে সকলের খাওয়া দাওয়া, ‘গ’ মানে গান আর ‘গ’ মানে গাওয়া, ‘ঘ’ মানে শান্তিতে
১৯৯৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর, কলামন্দির প্রেক্ষাগৃহে বিংশ শতককে বিদায় জানাচ্ছেন সুমন!! আমি সেই অমর লোকগুলোকে মনে করছি, মনে করছি পিটার
তোমার আমার স্বাধীনতা রক্তের মত লাল স্বাধীনতা, তোমার আমার স্বাধীনতা আকাশের মত নীল স্বাধীনতা, জেনো সংগ্রাম আনে স্বাধীনতা জেনো ভাবনা
হাসি নিয়ে থাকো হাসিমুখে থাকো… শান দাও হাসিতে, বারানসী কাশীতে , কলকাতাতেও বঙ্গ রঙ্গ হোক, হেসে নিক সব লোক যন্ত্রণাতেও
বুদ্ধি আমার শানিয়ে নেওয়া,কিছুই দৃষ্টি এড়ায় না, এদিক ওদিক বেড়ায় তবু,ভুলের পাড়া মাড়ায় না দার্জিলিঙে রাজস্থানে,গণ্ডগোলে গ্যাংটকে, খুন খারাপি মূর্তি
কখনো হয়তো খুদ কুঁড়ো জুটে যায় কখনো একটা হাড় ছুঁড়ে দেয় কেউ একা চেয়ে থাকা সমব্যথি জোস্নায়, আদিম নেকড়ে অধুনায়
মাতৃদেবী ‘সংস্কৃতি’, আম্মা তুমি মুসলমান, সংস্কৃতির ধারকরা সব গম্ভীর মুখে হাঁটতে যান। স্বামীজিরা ‘সংস্কৃতি’, মৌলানারা মুসলমান, সংস্কৃতির ধারকরা সব গম্ভীর
বুকের ভেতর কথার পাহাড় জমিয়ে রেখে শেষে পাহাড় ভাঙার সাহস পেলাম তোমার কাছে এসে পাহাড় থেকে ঝর্ণা হলো নামলো কথা
জনতার হাতে হাতে ঘোরো তুমি নিশানের মত দাবির নিশান হয়ে দুলে ওঠো তুমি হাতে হাতে হাতের মুঠোয় হও চিৎকার প্রতিবাদ